বৃহস্পতিবার বেলা ২টার দিকে বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের মাসিক সমন্বয় সভা শুরু হয়। বিকেলে আচমকা কয়েকজন যুবক সভাস্থলে ঢুকে হামলা চালায়।হামলায় সুহেল চৌধুরী ও বিশ্বনাথ উপজেলার অলংকারী ইউপি চেয়ারম্যান লিলু মিয়াসহ ৫ জন আহত হন।
এ ব্যাপারে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সুহেল আহমদ চৌধুরী বলেন, “পরিষদের সভা চলাকালীন সময়ে ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ নুর উদ্দিনের নেতৃত্বে কয়েকজন সন্ত্রাসী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সভায় হামলা চালিয়েছে।”
ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ নূর উদ্দিন বলেন, “উপজেলার কোনো প্রকল্প আমাদের (ভাইস চেয়ারম্যানদের) দেওয়া হয়নি। সকল প্রকল্প উপজেলা চেয়ারম্যান আত্মসাৎ করছেন।
“বৃহস্পতিবার পরিষদের সভায় আমরা এ নিয়ে প্রতিবাদ জানাই। এক পর্যায়ে চেয়ারম্যানের অনুসারীদের মধ্যে হট্টগোল হয়। তবে চেয়ারম্যানের উপর কে বা কারা হামলা করেছে, তা আমার জানা নেই।”
ওই হামলার প্রতিবাদে বিকেল ৪টার দিকে উপজেলা সদরে বিক্ষোভ মিছিল বের করে উপজেলা চেয়ারম্যানের সমর্থকরা। মিছিল শেষে বিশ্বনাথ নতুনবাজারের গোলচত্বরে প্রতিবাদ সভায় মিলিত হয়।
সমাবেশ শেষে ফের মিছিল বিশ্বনাথ পুরান বাজারের দিকে যাওয়ার সময় সংঘর্ষ বাধে।
বিশ্বনাথ থানার ওসি মো. রফিকুল হোসেন বলেন, “পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শর্টগানের ১১ রাউন্ড গুলি ছুড়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।”











